Voice of Expats Bangladesh
Advertisement
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ
No Result
View All Result
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ
No Result
View All Result
Voice of Expats Bangladesh
No Result
View All Result
Home আলোচিত

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে তারা জীবনকে জাহান্নাম বানাত

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে তারা জীবনকে জাহান্নাম বানাত
0
VIEWS
FacebookTwitterLinkedinWhatsappEmail

নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে দেওয়া শহীদ শরীফ ওসমান হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে ট্রাইব্যুনাল-২। প্রসিকিউশনের আবেদনের পর আদালত এ সিদ্ধান্ত দেয়। গত বছরের ১৮ জুন এ জবানবন্দি দিয়েছিলেন হাদি।

গতকাল বুধবার ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ আবেদন মঞ্জুর করা হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। এর আগে ট্রাইব্যুনাল-১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া বদরুদ্দীন উমরের জবানবন্দিও সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিল।

এই মামলার সব আসামি পলাতক। অপর আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান।

জবানবন্দিতে হাদি বলেন, আমার নাম শরীফ ওসমান হাদি। ছোটবেলায় ঝালকাঠি শহরের ইসলামিয়া মাদরাসায় পড়াশোনা করি। আলিম পাস করে আমি ঢাকায় আসি। পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০-১১ সেশনে ভর্তি হয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে অনার্স মাস্টার্স শেষ করি। বর্তমানে আমি একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে শুরু থেকেই বিভিন্ন কালাচারাল অ্যাকটিভিজমের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যখন যে সুযোগ এসেছে, কখনো কবিতা, গল্প, গানে, প্রোগ্রামে সেই কালচারাল মুভমেন্টের সঙ্গে যুক্ত থেকেছি। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। কারণ বাংলাদেশে ২০২৪ সালে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে সেখানে আমি একজন শরিক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু এখানে বলা দরকার, ২০২৪-এ যে ঐতিহাসিক বিপ্লব হয়েছেÑ এর কোর জায়গাটা হলো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন। ২০১৮ সালে কোটা আন্দোলন হয়েছে। বিসিএসের নবম ও দশম গ্রেডের ৫৪ শতাংশের বেশি বিভিন্ন ধরনের কোটা দিয়ে দখল করা ছিল।

জবানবন্দিতে হাদি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা যে বৈষম্যবিরোধী একটি সমাজ গড়তে চেয়েছিলাম, সেখানে বিভিন্ন ধরনের কোটার কারণে মেধাবী ছেলেমেয়েরা অনেক পিছিয়ে পড়েছিল। শেখ হাসিনা সরকার ৫৪ শতাংশেরও বেশি বিভিন্ন কোটা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা, পরবর্তী সময়ে তাদের সন্তানদের, না পেলে তাদের নাতি ইত্যাদি নামে ব্যবহার করে সরকারি প্রায় সব খাতে তার দলীয় লোকদের নিয়োগ দেওয়ার ব্যবস্থা করে। এদিকে আবার ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল। ফলে বহু লোক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করি, শেখ হাসিনা সরকার আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ২০১৮ সালের পরিপত্র বাতিল করে দেয়। তখন সারা দেশের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলেও কোনো ফল পায়নি। বঙ্গভবনে স্মারকলিপি দিলেও কোনো কার্যকর ফলাফল পাওয়া যায়নি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অজুহাতে তারা মানুষের জীবনকে জাহান্নাম বানিয়ে ফেলত।

তিনি বলেন, ১৪ জুলাই যখন আন্দোলন অনেকটা জোরালো, তখন শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের রাজাকার, রাজাকারের বাচ্চা সম্বোধন করেন। তখন সারা দেশের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলের গেট ভেঙে রাস্তায় নেমে পড়ে এবং স্লোগান দেয়Ñ তুমি কে আমি কে রাজাকার, রাজাকার। কে বলেছে, কে বলেছেÑ স্বৈরাচার, স্বৈরাচার। তখন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের উদয় হয়। আমি রামপুরায় ছিলাম। ওই সময় আমি ও আমার বন্ধু দ্রুত ক্যাম্পাসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। তখন আমরা একটা রিকশা নিয়ে কাকরাইল এবং মৎস্য ভবনের সামনে এলে দেখি সেখানে রামদা, পিস্তল, চাপাতি, রড, হকিস্টিক নিয়ে যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও বহিরাগত সন্ত্রাসীরা অবস্থান নিয়েছে। সেখান থেকে আমরা ঢুকতে না পেরে হাইকোর্টের সামনে যাই, সেখানেও একই অবস্থা। তখন আমি আমার ছোট ভাই সমন্বয়ক আক্তারকে কল দিয়ে বলি, এখানকার পরিস্থিতি বেশি ভালো না। ছাত্রলীগ ও যুবলীগ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছে তোমাদের আক্রমণ করার জন্য। তোমরা দ্রুত কর্মসূচি শেষ করো। পরে আমরা যখন বিভিন্ন দিক দিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করি, তখন আক্তার আবার আমাকে কল করে সেখানে যেতে নিষেধ করে।

হাদি বলেন, সেদিন যুবলীগের সভাপতি পরশ, সেক্রেটারি নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম, সেক্রেটারি ইনান, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের নেতৃত্বে যুবলীগ-ছাত্রলীগ মিছিল করে এবং শিক্ষার্থীদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। আমরা দেখেছি সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই শুধু গুলি করেনি; শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে বহু মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছে। আমরা দেখেছি নিখিল নিজে অস্ত্র নিয়ে গুলি করেছে। অনেক জায়গায় এমপিরা নিজে গুলি লোড করেছে। সব জায়গায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা শিক্ষার্থীদের গুলি করে হত্যা করেছে। এছাড়া ওবায়দুল কাদের ১৪ জুলাই শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর বলেন, আন্দোলনকারীদের দমনের জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। তার মানে তিনি একজন নন-আর্মড অর্থাৎ একটি বেসামরিক ছাত্রলীগকে লেলিয়ে দিচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা করার বৈধতা দিয়ে।

জবানবন্দিতে ওসমান হাদি বলেন, ১৮ জুলাই কারফিউ জারি নিয়ে ১৪ দলের সঙ্গে ওবায়দুল কাদের মিটিং করেন। এরপর তাকে মিডিয়া যখন কারফিউ জারির বিষয়ে প্রশ্ন করলেন, তখন তিনি জানান দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটা কি তিনি শুধু প্রশাসনকে বলেছেন? না। সেটা তিনি তার দলীয় সন্ত্রাসীদের অর্থাৎ যাদের হাতে অস্ত্র দিয়েছেন, তাদেরকেও সেই পারমিশন দিয়েছেন। জুলাইয়ের শেষের দিকে খেয়াল করলে দেখবেন কারা শহীদ হয়েছেন। তখন রিকশাওয়ালা, দিনমজুর, গার্মেন্টস কর্মী, শ্রমিক, শিশু মারা গেছে। অর্থাৎ তখন এই আন্দোলন শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তখন ১৭ বছরে যারা গুম হয়েছে, ক্রসফায়ারে পড়েছে, জেলের মধ্যে বন্দি করে রাখা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের সন্তান, আত্মীয়-স্বজন এবং বিরোধী দল, যারা ন্যায্য বিচার পায়নি সবাই রাস্তায় নেমে এসেছিল।

হাদি বলেন, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মহানগর থেকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। ৪ আগস্ট ঢাকা থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি জেলায় তারা নিরীহ নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করেছে। ওবায়দুল কাদের তো তখন মন্ত্রী হিসেবে নয়, দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার বক্তব্যের প্রতি পয়েন্ট এক্সিকিউট করার দায়িত্ব ছিল বাহাউদ্দিন নাছিমের ওপর। নাছিমকে দলের সেকেন্ড সেক্রেটারি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। যে স্বেচ্ছাসেবক লীগ বহু মানুষকে হত্যা করেছে, তিনি সেই স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এছাড়া ছাত্রলীগের যে ইনান, সেও কিন্তু তার হাতে রিক্রুট। সে কারণে ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণও তার হাতে ছিল। প্রত্যেকটি গণহত্যাকে সে লিড দিয়েছে, এক্সিকিউট করেছে এবং শেখ হাসিনার কাছে রিপোর্ট করেছে।

১৪ জুলাই যখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা হলে ফিরে গিয়েছিল, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও বহিরাগতদের নিয়ে সেদিন মোহাম্মদ আলী আরাফাত প্রক্টোরিয়াল টিমের অনুমতি না নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে হুমকি-ধমকি দিয়েছে। এছাড়া তিনি তথ্যসন্ত্রাস ছড়িয়েছেন। ফলে প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে বহু মানুষের জীবন গিয়েছিল। কিন্তু শহীদ আবু সাঈদকে যখন প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন- দে ওয়ার ড্রাংক। তার মানে আবু সাঈদরা কি মাদকাসক্ত ছিল?

হাদি আরো বলেন, যুবলীগের সভাপতি পরশের বড় পরিচয় তিনি শেখ হাসিনার আত্মীয়। মেয়র তাপসের বড় ভাই। এসব পরিচয় তাকে অনেক মন্ত্রীর চেয়েও পাওয়ারফুল করেছে। ঢাকার দখলবাজি ও হত্যাকাণ্ডে যুবলীগ সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখত। ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বোনদের ওপর যে হামলা হয়েছিল, সেটি তার নির্দেশেই হয়েছিল। সারা দেশে উসকানি দিয়ে তিনি তার দলীয় বাহিনী দিয়ে অসংখ্য হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন। ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল হয়েছিল, তা যুবলীগের সেক্রেটারি নিখিলের নেতৃত্বেই হয়েছিল। যুবলীগের সেক্রেটারি নিখিল সারা দেশে তার বাহিনী দিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। মিরপুরের এমপি হওয়ার সুবাদে মিরপুরে যখন আন্দোলন চলে তখন তিনি মিরপুরের এমপিদের অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করেছেন। ১৪ জুলাই রাতে সাদ্দাম হোসেন ছাত্রলীগ ও বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে মিছিল করেছেন। ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের তার নেতৃত্বে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছিল। এছাড়া তিনি রাজু ভাস্কর্যে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিয়েছিলেন যারা আন্দোলনে যোগ দিয়েছে, তাদের প্রত্যেককে সে দেখে নেবে এবং তাদের জীবন তছনছ করে দিবে। ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ার কারণে সে সারা বাংলাদেশে ছাত্রলীগকে আন্দোলনকারীদের হত্যা করার বৈধতা দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যাসাকারের মূল হোতা সাদ্দাম হোসেন।

জবানবন্দিতে হাদি আরো বলেন, ১৩ জুলাই ছাত্রলীগের সেক্রেটারি ইনান মধুর ক্যান্টিনে বলেছে, ডোর টু ডোর ক্যাম্পেইন করবে। কিন্তু সেদিন সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা আন্দোলন করছিল, তাদেরকে গেস্ট রুমে ডেকে ভয়ংকরভাবে থ্রেট করেছিল। এমনকি মেয়েদের মধ্যে যারা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল, তাদের গার্ডিয়ানদের ফোন করে ভয় দেখিয়েছিল। ফলে পরের দিনই কিছু গার্ডিয়ান এসে তাদের মেয়েদের নিয়ে গিয়েছিল। ১৭ জুলাই ইনান শেখ হাসিনার সঙ্গে কীভাবে হত্যা করা হবে, কীভাবে সাফ করা হবে, কীভাবে আক্রমণ করা হবে, সে বিষয় নিয়ে সরাসরি কথা বলেছেন। যার কলরেকর্ড আমরা আলজাজিরার মাধ্যমে শুনেছি। সেক্রেটারি হিসেবে ইনান ছাত্রলীগের কর্মীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করিয়েছেন। আমাকে অসংখ্য নাম্বার থেকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে শাহবাগ থানায় আমি জিডিও করেছি। অতি দ্রুত যদি এদের বিচার না করতে পারি, তাহলে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভবিষ্যতে কী পরিমাণ গণহত্যা চালাবে, তা অকল্পনীয়। তাদেরকে বিচারের আওতায় না আনলে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবে। এই আন্দোলনে আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া অর্থাৎ বিভিন্ন দেশ থেকে বহু সাংবাদিক, লেখক বিভিন্ন অ্যাক্টিভিস্ট অবদান রেখেছেন। যেহেতু আমি আইএলটিএসে পড়াতাম, সেহেতু আমার অনেক ছাত্র বিদেশে ভালো ভালো জায়গায় আছে, তাদের থেকেও আমি বিভিন্ন ইনফরমেশন পেতাম।

জবানবন্দিতে হাদি আরো বলেন, সারা দেশে আন্দোলন দমনের নামে সংঘটিত, পরিকল্পিত গণহত্যাকাণ্ডসহ বর্বরোচিত হামলার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানসহ ঘটনায় জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও আওয়ামী লীগের দলীয় ক্যাডারদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি জানাই।

Previous Post

ভরাডুবির বিশ্বকাপ নিয়ে পর্যালোচনায় অস্ট্রেলিয়া

Next Post

আওয়ামী লীগ অফিস খুলতে গিয়ে আটক ৫

Next Post
আওয়ামী লীগ অফিস খুলতে গিয়ে আটক ৫

আওয়ামী লীগ অফিস খুলতে গিয়ে আটক ৫

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের বর্ষবরণে ডেনমার্কে প্রবাসীদের মিলনমেলা

বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের বর্ষবরণে ডেনমার্কে প্রবাসীদের মিলনমেলা

দুতাবাসের উদ্যোগে ডেনমার্কে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

দুতাবাসের উদ্যোগে ডেনমার্কে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

আইএমএফের ঋণের কিস্তির বিষয়ে হ্যাঁ-না বলার সুযোগ নেই : ওয়াশিংটনে অর্থমন্ত্রী

আইএমএফের ঋণের কিস্তির বিষয়ে হ্যাঁ-না বলার সুযোগ নেই : ওয়াশিংটনে অর্থমন্ত্রী

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ : ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ : ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

আটক মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ওপর ময়লা পানি নিক্ষেপ

আটক মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ওপর ময়লা পানি নিক্ষেপ

Voice of Expats Bangladesh

Browse by Category

  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • আলোচিত
  • খেলা
  • গণমাধ্যম
  • চাকরি
  • জেলার খবর
  • ডেনমার্ক প্রবাসী
  • ধর্ম
  • প্রবাসী কর্ণার
  • প্রযুক্তি
  • বাংলাদেশ
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • বিনোদন
  • ব্রেকিং নিউজ
  • ভিডিও/টকশো
  • মতামত
  • রাজনীতি
  • লিড নিউজ
  • শিক্ষাঙ্গন
  • সর্বশেষ
  • সোস্যাল মিডিয়া
  • স্বাস্থ্য

Contacts

ভয়েস অব এক্সপ্যাটস বাংলাদেশ
ঢাকা, বাংলাদেশ
Mobile: +8801717291923
Email: voebnews@gmail.com

Follow Us

© 2024 Voice of Expats Bangladesh

No Result
View All Result
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ

© 2024 Voice of Expats Bangladesh