বিনোদন ডেস্ক:
বলিউড তারকা সাইফ আলী খানের হামলাকারী সন্দেহে শরিফুল ইসলাম শেহজাদ নামের এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ। তবে গত রোববার ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায়, সাইফের বাড়ি থেকে নেওয়া ১৯টি আঙুলের ছাপের একটির সঙ্গেও মেলেনি অভিযুক্ত শরিফুলের আঙুলের ছাপ। এরপর প্রশ্ন হামলাকারী কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) মুম্বাই পুলিশ আবারও দাবি করেছে, শরিফুলই সাইফের ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালিয়েছেন। তাদের কাছে এ ব্যাপারে পর্যাপ্ত প্রমাণ আছে। যদিও সিআইডির কাছে পাঠানো আঙুলের ছাপের তথ্য এখন পর্যন্ত তাদের কাছে আসেনি বলে দাবি করেছেন মুম্বাই পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার পরমজিত সিং দাহিয়া।
তিনি বলেন, “যাকে (শরিফুল) গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তিনিই হামলার অভিযুক্ত। আমরা সঠিক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছি। আমরা যথেষ্ট প্রমাণ পেয়েছি, তিনিই হামলাকারী এবং এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হামলার টেকনিক্যাল, মৌখিক এবং শারীরিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। ”
গত ১৬ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হন সাইফ। তাকে পাঁচবার ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এ ঘটনার পর একাধিক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। যাদের পরবর্তীতে ছেড়েও দেয় পুলিশ। কিন্তু বাংলাদেশি শরিফুলকে এখন আসল হামলাকারী হিসেবে শনাক্ত দাবি করছে তারা।
১৯টি আঙুলের ছাপের একটিও মেলেনি, এই দাবি অস্বীকার করে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেছেন, “আমরা আঙুলের ছাপের কোনো রিপোর্ট এখনো পাইনি। এটি পরে পাব। আঙুলের ছাপ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।”
সাইফ আলীর ওপর হামলার ৭০ ঘন্টা পর তার বাড়ি থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরের স্থান থেকে শরিফুলকে আটক করা হয়। কিন্তু শরিফুলের বাবা জানিয়েছেন, সিসিটিভিতে যাকে দেখা গেছে, তার সঙ্গে তার ছেলের কোনো মিল নেই। তাকে মূলত ফাঁসানো হচ্ছে। তিনি ছেলের জন্য ভারতীয় দূতাবাস ও বাংলাদেশ সরকারের দারস্থ হওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলেন।
এদিকে এমন ধুম্রজাল সৃষ্টির পর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাদনাভিস গত সোমবার বলেন, এই মামলা নিয়ে কোনো ভ্রান্ত যেন তৈরি না হয়।






