নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য দারুণ এক সুখবর দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শীর্ষনেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি প্রবাসীদের জন্য বিমান ভাড়া কমানো সংক্রান্ত দুটি পৃথক নোটিশ শেয়ার করেন।
জানা গেছে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. সফিউল আলম ও বাংলাদেশ বিমানের ডাইরেক্টর জেনারেল ম্যানেজার একেএম শহিদুল হাসান স্বাক্ষরিত পৃথক নোটিশে সৌদি আরব ও মালয়েশিয়াগামী প্রবাসীদের জন্য ভাড়া কমানোর নতুন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নোটিশ প্রকাশের পর ফেসবুকে তা শেয়ার করেন হাসনাত। এর আগে সৌদি আরব ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন রুটে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য বিমানের উচ্চহারের ভাড়া নিয়ে সমালোচনা করে ফেসবুকে পােস্ট দেন তিনি। তার ওই ফেসবুক পোস্টের পরই বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ভাড়া কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সৌদি ও মালয়েশিয়া রুটে প্রবাসী বাংলাদেশীদের একক যাত্রা ও নতুন কর্মী ভিসাধারীরা নতুন ভাড়া সুবিধা পাবেন।
এদিকে হাসনাত আব্দুল্লাহ তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন (হুবহু)- ”১. প্রায় ৫৮,০০০ টাকা (৪৮০ মার্কিন ডলার) থেকে ভাড়া কমে বর্তমানে ঢাকা-জেদ্দা, ঢাকা-রিয়াদ, ঢাকা-দাম্মাম, ঢাকা-মদিনা রুটে ভাড়া প্রায় ৪৩,৫০০ টাকা (৩৬০ মার্কিন ডলার) হয়েছে। অর্থাৎ, ভাড়া কমেছে প্রায় ১৪,৫০০ টাকা।
২. প্রায় ২১,০০০ টাকা (১৭৫ মার্কিন ডলার) থেকে ভাড়া কমে বর্তমানে ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে ভাড়া প্রায় ১৮,০০০ টাকা (১৫০ মার্কিন ডলার) হয়েছে। অর্থাৎ, ভাড়া কমেছে প্রায় ৩,০০০ টাকা। “বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ায় যেতে সম্মানিত প্রবাসী কর্মীদের জন্য ভাড়ায় বিশেষ ছাড় প্রদান করছে।
‘ওয়ার্কার ফেয়ার’ নামের এই সুবিধা ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ থেকে চালু হয়েছে এবং আগামী ৩০ জুন, ২০২৫ পর্যন্ত প্রযোজ্য থাকবে। এই ভাড়া শুধুমাত্র নতুন কর্মী ভিসা এবং একক যাত্রা টিকিটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ঢাকা থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন রুটে বর্তমানে মূল ভাড়া (কর বাদে) ৩৬০ মার্কিন ডলার, যা পূর্বে ঢাকা-জেদ্দা রুটে ৪৮০, ঢাকা-রিয়াদ রুটে ৪০০, ঢাকা-মদিনা রুটে ৪৩০ এবং ঢাকা-দাম্মাম রুটে ৪০০ মার্কিন ডলার ছিল।
এছাড়া, ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটের বর্তমান ভাড়া ১৫০ মার্কিন ডলার, যা পূর্বে ছিল ১৭৫ মার্কিন ডলার। ‘ওয়ার্কার ফেয়ার’ নামের এই সুবিধা পেতে সম্মানিত যাত্রীদের বিএমইটি (BMET) ক্লিয়ারেন্স কার্ড অথবা বিএমইটি (BMET) সত্যায়িত ভিসা থাকতে হবে। এখানে উল্লেখযোগ্য যে, ওমরাহ, ফ্যামিলি ভিজিট অথবা রেসিডেন্স ভিসাধারীরা এই বিশেষ ছাড় পাবেন না।
এই ভাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যেকোন বিক্রয় কেন্দ্র অথবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স মনোনীত যেকোন ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।”






