Voice of Expats Bangladesh
Advertisement
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ
No Result
View All Result
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ
No Result
View All Result
Voice of Expats Bangladesh
No Result
View All Result
Home বাংলাদেশ

পারস্পরিক সহযোগিতায় দেশ পরিচালনা করুন

পারস্পরিক সহযোগিতায় দেশ পরিচালনা করুন
0
VIEWS
FacebookTwitterLinkedinWhatsappEmail

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাড়ে ১৫ বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পেয়েছে বাংলাদেশের মানুষ। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ পেয়েছে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতার সরকার। সেই সঙ্গে সংসদীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় পর পেয়েছে শক্তিশালী ও কার্যকর বিরোধী দল। জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষায় নতুন এই সরকার ও বিরোধী দলের কাছে জনগণের প্রত্যাশাও অনেক।

এবার ভোট কার্যক্রম যেমন শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন হয়েছে, তেমনি পুরো মেয়াদে দেশটাকে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন দেখতে চায় দেশের জনগণ। সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা, সব ধরনের সামাজিক অস্থিরতা দূর করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি দমনের প্রতিশ্রুতিকে দৃশ্যমান করা। অপরদিকে বিরোধী দলের প্রতি প্রত্যাশা, সরকারের সব কাজে বিরোধিতা না করে ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়া।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীও তার রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বোচ্চসংখ্যক আসন পেয়ে বিরোধী দল হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। জামায়াত ইসলামী বিরোধী দল হিসেবে সঙ্গে পেয়েছে জুলাই আন্দোলনের অগ্রগামী সৈনিকদের দল এনসিপিসহ ইসলামী আদর্শের আরো তিন দলকে। সব মিলিয়ে ৭৭ সদস্যের শক্তপোক্ত বিরোধী দল পেয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে আসনের ব্যবধানে বিস্তর ফাঁরাক হলেও ভোটের ব্যবধান তুলনামূলক কম। সরকারি দলের ৫০ শতাংশ ভোটের বিপরীতে বিরোধী দল ভোট পেয়েছে ৩৮ শতাংশ।

সরকারের কাছে চাওয়া-পাওয়া

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের পর দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন আশার সঞ্চার হয়েছে, তেমনি বেড়েছে প্রত্যাশার চাপও। বাজারের অস্থিরতা, বেকারত্ব, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন—সব মিলিয়ে নাগরিকদের প্রধান চাওয়া এখন দ্রুত দৃশ্যমান পরিবর্তন। বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে গঠিত সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের প্রধান দাবি— একটি বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলার পাশাপাশি জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা। অপরদিকে দীর্ঘ সময় পর সংসদীয় রাজনীতিতে ভারসাম্য ফিরে আসায় বিরোধী দলের কাছেও দায়িত্বশীল ভূমিকা আশা করছে দেশের জনগণ। নেতিবাচক বা ধ্বংসাত্মক রাজনীতির পরিবর্তে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সরকারের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে জনগণের অধিকার রক্ষায় সংসদের ভেতরে-বাইরে সক্রিয় থাকবে বলে প্রত্যাশা দেশবাসীর।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজনৈতিক পালাবদলের পর তারা সরকারের প্রতিশ্রুত ফ্যামিলি কার্ডকে স্বাগত জানালেও এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিতে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের আয় বাড়েনি, অথচ খাদ্যপণ্য, বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ-গ্যাস ও চিকিৎসা ব্যয় বেড়েই চলেছে। ফলে নতুন সরকারের কাছে তাদের প্রথম দাবি—বাজার ব্যবস্থাপনায় কঠোর নজরদারি ও কার্যকর উদ্যোগ।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপের প্রত্যাশা জানিয়ে কারওয়ান বাজারে বাজার করতে আসা ইকবাল হোসেন আমার দেশকে বলেন, পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা ও আমদানি নীতিতে স্বচ্ছতা নিয়ে আসতে হবে সরকারের। কোনো সিন্ডিকেটের কবলে সরকার যেন না পড়ে।

দেশের বড় একটি জনগোষ্ঠী তরুণ। তাদের প্রধান দাবি কর্মসংস্থান। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সোহরাব হোসেন আমার দেশকে বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিয়মিত করতে হবে। নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ সুবিধা দেওয়া এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিতে হবে সরকারকে। কারণ বেকারত্ব আর বৈষষ্যের কারণে ৫ আগস্ট হয়েছে। সরকারকে সে সমস্যার সমাধানে আগে হাঁটতে হবে।

সুশাসন ও দুর্নীতি দমনে দৃশ্যমান অগ্রগতি চায় সমাজের বড় একটি অংশ। তাদের বড় প্রত্যাশাÑ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবে সরকার। সরকারি সেবা পেতে ভোগান্তি ও অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চান নাগরিকরা। প্রশাসনে জবাবদিহিতা নিশ্চিত ও ডিজিটাল সেবার বিস্তারে গতি আনার আহ্বান দাবি তাদের।

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে শহরবাসীর উদ্বেগ রয়েছে। চুরি-ছিনতাই, মাদক ও নারী নির্যাতন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে বলে মত দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত ও নিরপেক্ষ হলে মানুষের আস্থা বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।

ইমপিরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন আমার দেশকে বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় একটি অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল। তবু এবার তাদের চ্যালেঞ্জ বিগত সময়ের চেয়ে অনেক বেশি; যা মোকাবিলা করে সরকার পরিচালনা করা কঠিন হতে পারে। বিরোধী দলগুলোর চাপ বিশেষভাবে বাড়বে। যদি উচ্চকক্ষ গঠিত হয়, সে ক্ষেত্রে বিরোধী দলগুলো যে আসন পাবে সেটি তাকে অনেকটা দুর্বল করে তুলবে। তার ওপর ইন্টেরিম সরকারের করা অনেক চুক্তি হয়তো চাপে ফেলে দেবে নতুন সরকারকে। বিদেশি শক্তিগুলোর সেসব বড় চ্যালেঞ্জ তাদের মোকাবিলা করতে হবে হয়তো।

তিনি আরো বলেন, জনগণ নতুন সরকারের প্রতি যে আস্থা রেখেছে, সেই আস্থার প্রতিদান দেওয়ার জন্য তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা এবং নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা জরুরি।

রংপুর থেকে ঢাকায় এসেছেন রিকশাচালক মোতাহার হোসেন। বাড়িতে স্ত্রী ও তিন সন্তান থাকেন। তিনি আমার দেশকে বলেন, নতুন সরকারের কাছে তার প্রত্যাশা খুব বড় নয়। দ্রব্যমূল্য কমবে, আয়-রোজগার ঠিক থাকবে।

ক্রীড়া সাংবাদিক তামিম সানিয়াত তন্ময়ের প্রত্যাশা একটু বিস্তৃত। তিনি বলেন, প্রত্যাশার পরিধিটা অনেক বড়। সবাই ভালো থাকুক, দেশের মানুষের উন্নয়ন হোক। সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক। অগ্রগতি হোক।

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল খান বলেন, আমাদের প্রত্যাশা নতুন সরকার জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কারের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করবে এবং দেশকে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটমুক্ত করবে। প্রশাসন ও আইনব্যবস্থাকে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন করবে।

একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করা রাজিব খানের প্রত্যাশা একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের। বিশেষ করে দেশ থেকে অর্থ পাচার রোধে নতুন মন্ত্রীদের ভূমিকা চান তিনি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিয়াজ মাহমুদ মনে করেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন মন্ত্রী নতুন উদ্যোগ নেবেন। গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, গবেষণার পাশাপাশি দেশ গড়তে কর্মমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা ও শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিবিদ্যায় পারদর্শী করে গড়ে তুলতে হবে। তা না হলে কাঙ্ক্ষিত স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্যে আমরা কোনোদিন পৌঁছাতে পারব না।

কী চাওয়া বিরোধী দলের কাছে

সরকারের পাশাপাশি এবার ত্রয়োদশ সংসদে নির্বাচিত বিরোধী দলের প্রতি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তারা চান বিরোধী দল হিসেবে তাদের যে ধরনের ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে, তার যথাযথ প্রতিফলন যেন তারা ঘটাতে পারে। সরকারের ভালো কাজের সহযোগিতার পাশাপাশি দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজের শক্ত প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

অবশ্য এরই মধ্যে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, আমরা সংসদে দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা রাখতে চাই। সরকারের সব ভালো কাজে যেমন সহযোগিতা করব, তেমনি দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী কিছু দেখলে সংসদে ও বাইরে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলব।

বিরোধী দলের কাছে প্রত্যাশা সম্পর্কে জানতে চাইলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের ডাব বিক্রেতা মজনু বলেন, সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দল যেন দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য যেটা ভালো, সেটাই করে। জনগণের জন্য যেটা ক্ষতি হয়, সে কাজ যেন তারা না করে। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই। কোনো মারামারি, কাটাকাটি দেখতে চাই না।

এ বিষয়ে পিরোজপুরের এক শিক্ষক বলেন, সরকারের সব কার্যক্রম নজরদারিতে রাখাই বিরোধী দলের প্রধান কাজ হওয়া উচিত, যেন এ সরকার আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে। তিনি আরো বলেন, বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে যেভাবে গণভোটের রায় উপেক্ষা করেছে, এটা ফ্যাসিস্ট হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ বলে মনে করি। এতে জুলাই সনদের অন্য বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় বিরোধী দলের উচিত সরকার যাতে একচেটিয়াভাবে জনস্বার্থবিরোধী কোনো কাজ করতে না পারে, সেজন্য জনমত তৈরি ও প্রয়োজনে রাজপথে সক্রিয় থাকা।

রাজধানীর মিরপুরের গৃহিণী সুলতানা বলেন, বিরোধী দলকে প্রকৃত বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকারের স্বাভাবিক ও ভালো কাজে যেমন অযথা বাধা-বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না, তেমনি কোনো খারাপ কাজ দেখলে তা এড়িয়ে যাওয়া ঠিক হবে না। এক্ষেত্রে শক্তভাবে প্রতিবাদ করে সরকারের ভুল ধরিয়ে দিতে হবে। তবে বিগত সময়ের মতো কথায় কথায় হরতাল-অবরোধ যেন না হয়।

রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ফ্রন্ট ডেস্কে কর্মরত পরিমল বলেন, বিরোধী দল যেন জনগণের পক্ষে সংসদে ও রাজপথে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। সরকার যেন কোনো অন্যায় কাজ করতে না পারে, সেজন্য তাদের কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ যেকোনো জনদুর্ভোগের বিরুদ্ধে তারা যেন সোচ্চার ভূমিকা রাখেÑআমাদের সেটাই প্রত্যাশা।

জুলাই বিপ্লবে সোচ্চার থাকা তরুণ গণমাধ্যমকর্মী মাহমুদ আশিক বলেন, বিরোধী দল দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে হাজার হাজার প্রাণের আত্মত্যাগে অর্জিত জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে রক্ষা করবে। সেই সঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান এবং মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখা তাদের নৈতিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে সংসদকে কার্যকর বিতর্কের ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং জনগণের আস্থা পুনর্গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালনই হোক প্রধান বিরোধী দলের অঙ্গীকার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান আমার দেশকে বলেন, সরকারের কাছে প্রধান চাওয়া হচ্ছেÑতারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার, দুর্নীতি দমন ও মানবিকতার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেটাকে দৃশ্যমান করতে হবে। জনজীবনের নিরপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দমনপীড়ন নীতি যে দেশ ও জনগণের জন্য কল্যাণকর নয়, এটা গত ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসন আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। কাজেই দেশ পরিচালনায় সরকারকে এর থেকে অবশ্যই বেরিয়ে আসতে হবে। বিরোধী মতের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। তাদের গঠনমূলক সমালোচনাকে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি বিরোধী দলকেও প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে বিরোধিতা করার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা না করে গঠনমূলক সমালোচনা করতে হবে। সরকারের ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দিয়ে দেশ পরিচালনায় সহযোগিতামূলক মনোভাব পোষণ করতে হবে।

ধ্বংসাত্মক রাজনীতি দেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে সরকার ও বিরোধী দলকে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করতে হবে।

Previous Post

এইচএসসির ফরম পূরণের তারিখ কবে জেনে নিন

Next Post

পশ্চিম তীরে ভূমি অধিগ্রহণ জর্ডানের জন্য সরাসরি হুমকি

Next Post
পশ্চিম তীরে ভূমি অধিগ্রহণ জর্ডানের জন্য সরাসরি হুমকি

পশ্চিম তীরে ভূমি অধিগ্রহণ জর্ডানের জন্য সরাসরি হুমকি

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের বর্ষবরণে ডেনমার্কে প্রবাসীদের মিলনমেলা

বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের বর্ষবরণে ডেনমার্কে প্রবাসীদের মিলনমেলা

দুতাবাসের উদ্যোগে ডেনমার্কে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

দুতাবাসের উদ্যোগে ডেনমার্কে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

আইএমএফের ঋণের কিস্তির বিষয়ে হ্যাঁ-না বলার সুযোগ নেই : ওয়াশিংটনে অর্থমন্ত্রী

আইএমএফের ঋণের কিস্তির বিষয়ে হ্যাঁ-না বলার সুযোগ নেই : ওয়াশিংটনে অর্থমন্ত্রী

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ : ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ : ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

আটক মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ওপর ময়লা পানি নিক্ষেপ

আটক মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ওপর ময়লা পানি নিক্ষেপ

Voice of Expats Bangladesh

Browse by Category

  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • আলোচিত
  • খেলা
  • গণমাধ্যম
  • চাকরি
  • জেলার খবর
  • ডেনমার্ক প্রবাসী
  • ধর্ম
  • প্রবাসী কর্ণার
  • প্রযুক্তি
  • বাংলাদেশ
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • বিনোদন
  • ব্রেকিং নিউজ
  • ভিডিও/টকশো
  • মতামত
  • রাজনীতি
  • লিড নিউজ
  • শিক্ষাঙ্গন
  • সর্বশেষ
  • সোস্যাল মিডিয়া
  • স্বাস্থ্য

Contacts

ভয়েস অব এক্সপ্যাটস বাংলাদেশ
ঢাকা, বাংলাদেশ
Mobile: +8801717291923
Email: voebnews@gmail.com

Follow Us

© 2024 Voice of Expats Bangladesh

No Result
View All Result
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ

© 2024 Voice of Expats Bangladesh