নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্যরিষ্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির। উচ্চ শিক্ষিত, আধুনিকমনষ্ক ও শালীন রাজনীতির ধারক একজন রাজনীতিবিদ। তার বাবা ব্যারিষ্টার মুহাম্মদ জমিরউদ্দীন সরকার ছিলেন সরকারের তিন বারের সাবেক মন্ত্রী। স্পিকার ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে বিএনপির একজন অন্যতম নীতিনির্ধারকও। এলাকাতেও তিনি সমান জনপ্রিয় ও সর্বজন শ্রদ্বেয় ব্যক্তি। পঞ্চগড়ের অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনসহ এলাকার অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থানে জমিরউদ্দীন সরকারের অবদান এখনো এলাকাবাসী শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে এসে ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও সুসংবদ্ধ চিন্তার মাধ্যমে মানুষের আস্থা তৈরি করেছেন বিএনপির আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও পঞ্চগড়-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিষ্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির। পরিবর্তনের লক্ষ্যে ঘরে ঘরে জনে জনে কর্মসূচি নিয়ে তিনি জনগণের দোড়গড়ায় যাচ্ছেন।
অভিজাত পরিবারে জন্ম নেওয়া সত্ত্বেও সৌম্য-শান্ত স্বভাব, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে অনন্য ও অত্যন্ত সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত গভীর বিশ্লেষনধর্মী মানসিকতার এ নেতা রাজনীতিতে এক ভিন্ন ধারা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ক্লিন ইমেজের অধিকারী নওশাদ জমির বর্তমানে বিএনপির রাজনীতিতে করেছেন আরও সমৃদ্ধ।
নওশাদ জমিরের রাজনৈতিক আচরণে আক্রমনাত্মক ভাষা কিংবা প্রতিপক্ষকে হেয় করার কোন প্রবণতা নেই। কোনো সংকট বা সমস্যা এলে তিনি ধীরস্থির মনে বিষয়টির গভীরে গিয়ে তা সমাধানের চেষ্টা করেন। তার বক্তব্যে আবেগের চেয়ে যুক্তি ও বাস্তবতার উপস্থিতিই বেশি লক্ষ্য করা যায়। ২০২৪ পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় এমন পরিণত ও সংযত নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা ছিল বলেই অনেকেই মনে করছেন।
৩রা ফ্রেবুয়ারি ১৯৭০ সালে ঢাকার ধানমন্ডিতে জন্ম গ্রহণ করেন ব্যারিষ্টার নওশাদ জমির। তার শিক্ষা জীবনের শুরু ধানমন্ডি গর্ভমেন্ট বয়েজ স্কুলে। যেখানে তিন মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। শৈশব থেকে শৃঙ্খলা, সংযম ও চিন্তাশীলতার যে ভিত্তি তৈরি হয়, তার প্রতিফলন আজ তার রাজনৈতিক ও পেশাগত জীবনেও স্পষ্ট। রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি একজন শিক্ষিত, আর্ন্তজাতিক মানসম্পন্ন ও আধুনিক চিন্তা ধারার নেতা হিসেবে পরিচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভাড ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলএম, যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে ট্যাক্সেশনে এমএসসি এবং লিংকনস ইন থেকে বার এট ল ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনীতিতে ব্যারিষ্টার নওশাদ জমিরের পথচলা শুধু ব্যক্তিগত যোগ্যতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বহন করে। পঞ্চগড়-১ আসনে সংসদ সদস্য নির্বচিত হলে বাস্তবভিত্তিক ও সময়োপযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছেন ব্যারিষ্টার নওশাদ জমির। আর তাইতো ব্যারিষ্টার নওশাদ জমির এখন পঞ্চগড়ে একটি গ্রহনযোগ্য ও ভরসা যোগ্য নেতৃত্বের প্রতিফলক হিসেবে জনগনের মনে ঠাই করে নিয়েছেন।
এদিকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি অগ্রাধিকার ভিত্তিত্বে পঞ্চগড়ে সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং একটি বিশ্ববিদ্যায় প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছেন। এছাড়া পঞ্চগড়কে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলাসহ পঞ্চগড় পৌরসভায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কাঁচা রাস্তা পাকা করন, আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, উপজেলা পর্যায়ে মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা, কৃষি পন্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, কৃষক বান্ধব ঋন ব্যবস্থা, হস্ত ও কুটির শিল্পের প্রসার এবং যুবকদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা, নারীদের স্বনির্ভর করতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে সহজ ঋন, পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পঞ্চগড়ের ঐতিহাসিক স্থানগুলোর উন্নয়ন এবং পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারণসহ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে আর্ন্তজাতিক বানিজ্য সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও কথা রয়েছে তার নির্বাচনী ঘোষনায়। আর এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই পঞ্চগড়কে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। সর্বশেষ পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি দেশের উন্নয়নে সকলকে সঙ্গে নিয়ে এক সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ধানের শীষে ভোট চেয়ে তিনি সবার দোয়া কামনা করেছেন।






