নিজস্ব প্রতিবেদক:
ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয় তামিম ইকবালকে। হেলিকপ্টারে করে ঢাকার এভারকেয়ারে আনার চেষ্টা করেও সম্ভব হচ্ছে না তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায়। তবে, এখন ডাক্তাররা জানিয়েছেন অবস্থা একটু উন্নতির দিকে।
বিসিবি পরিচালক ও মোহামেডানের শীর্ষ কর্মকর্তা মাহবুব আনাম এবং মোহামেডানের ক্রিকেট ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন শিপন এ তথ্য জানিয়েছেন। তারা জানান, তামিমের অবস্থা একটু উন্নতি হয়েছে বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন।
সাজ্জাদ হোসেন শিপন আরও জানিয়েছেন, তামিমের হার্টে একটি ব্লক শতভাগ। ওটাতে রিং পরানো হয়েছে। ডাক্তাররা বলেছেন, এটা যদি কাজ করে তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। এখন আপাতত যন্ত্রের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রয়েছে। যদিও জ্ঞান ফেরেনি। এখনও তাকে শিফট করানোর অবস্থায় নেই। পরিস্থিতি উন্নতি হলে চেষ্টা করবো ঢাকায় এভারকেয়ারে নেওয়া হবে। আপাতত শিফট করার চিন্তা নেই।
মোহামেডান কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘রিং পরানো হয়েছে। অবস্থা এখনও অপরিবর্তিত। জ্ঞান ফেরেনি। অবস্থার উন্নতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।’
সাভারের বিকেএসপি ৩ নম্বর মাঠে প্রিমিয়ার লিগে মোহামেডান ও শাইনপুকুরের মধ্যকার খেলা চলাকালেই হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তামিম ইকবাল। টস করে এসে দলীয় ম্যানেজার ও সাবেক ক্রিকেটার সাজ্জাদ আহমেদ শিপনকে তামিম বলেন, আমার খুব খারাপ লাগছে। বুকে ব্যথা করছে।
শিপনসহ সতীর্থ ক্রিকেটার এবং কর্মকর্তারা অবস্থা দেখে ধারণা করেন, হয়তো হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। কাল বিলম্ব না করে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। নেয়া হয় স্থানীয় কেপিজে (সাবেক ফজিলাতুন্নেছা) হাসপাতালে। সেখানে তাৎক্ষণিক তার এনজিওগ্রাম করে হার্টে ব্লক রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
একই সঙ্গে হেলিকপ্টারও ডেকে আনা হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়ার জন্য। কিন্তু পরিস্থিতি ভালো না হওয়ায় চেষ্টা করেও হেলিকপ্টারে তোলা যায়নি।
অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় কেপিজে হাসপাতালের সিসিইউতে নেয়া হয় তামিমকে। এরপর রাখা হয় লাইফ সাপোর্টে। হাসপাতালে রয়েছেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ, সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজনসহ কর্মকর্তা, সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটার এবং তামিমের পরিবারের সদস্যরা।






