Voice of Expats Bangladesh
Advertisement
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ
No Result
View All Result
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ
No Result
View All Result
Voice of Expats Bangladesh
No Result
View All Result
Home আলোচিত

ফিরে দেখা পিলখানা হত্যাকাণ্ড

ফিরে দেখা পিলখানা হত্যাকাণ্ড
0
VIEWS
FacebookTwitterLinkedinWhatsappEmail

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্যতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয় বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি। কথিত নির্যাতন ও বঞ্চনার অভিযোগে সুপরিকল্পিতভাবে দেশের সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় দক্ষ ও মেধাবী ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে। অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর। মর্মান্তিক ওই হত্যাকাণ্ডের ১৬ বছর পর স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। বহু অজানা ও স্পর্শকাতর তথ্য উঠে এসেছে ৪০০ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে, যা এতদিন পর্দার আড়ালে ছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক এমপি ও সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসসহ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ, র‌্যাব, বিডিআর, এমনকি তৎকালীন মিডিয়ার কয়েকজনসহ প্রভাবশালী অর্ধশতাধিক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে তদন্তে।

দাবি-দাওয়া ও ক্ষোভ প্রকাশের অনেক ভাষা ও পন্থা ছিল। ঘাতকেরা সেদিকে না গিয়ে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় মেতে ওঠে পৈশাচিক উন্মত্ততায়। বিশেষ মহল তাদের নীলনকশা বাস্তবায়ন করতেই সাধারণ বিডিআর সদস্যদের একটি অংশের হাতে তুলে দেয় অস্ত্র। বিডিআরের মহাপরিচালক থেকে শুরু করে একে একে নির্মমভাবে তারা দফায় দফায় হত্যা করে সেনা অফিসারদের। শুধু সেনা অফিসার হত্যাকাণ্ডেই থেমে থাকেনি তাদের নারকীয় উল্লাস। সেনা অফিসারদের পরিবারের অনেক সদস্যকেও হত্যা করে ঘাতকচক্র। অমানবিক নির্যাতন চালায় মহিলা ও শিশুদের ওপর। মেতে ওঠে অফিসারদের বাসাবাড়িতে অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুঠতরাজে। বিডিআর সদর দপ্তরের ২৫৩ একর জায়গার মনোরম এলাকাকে তারা পরিণত করে মৃত্যুপুরীতে। তিনটি গণকবর খুঁড়ে তাতে গুম করে লাশ। দীর্ঘ ৩৪ ঘণ্টার ওই শ্বাসরুদ্ধকর নারকীয় তাণ্ডব প্রত্যক্ষ করতে হয়েছে দেশবাসীকে। ওই সময় রাজনৈতিক সমঝোতার নামে কালক্ষেপণ করে আওয়ামী লীগ সরকার। অনভিজ্ঞ কয়েকজন দলীয় নেতাকে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে পাঠানো হয় ঘাতকদের সঙ্গে সমঝোতা করে ঘটনা সামাল দিতে।

সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এর আগে দেশ-বিদেশে স্বার্থান্বেষী একটি মহল সুপরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার ও বিষোদ্গার করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। শেখ হাসিনার যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ইরাক ও সৌদি আরবে দায়িত্ব পালনকারী মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা কার্ল জে সিওভাস্তের সঙ্গে যৌথভাবে লেখা ‘বাংলাদেশে ইসলামী উগ্রবাদের উত্থান-দমন’ শীর্ষক নিবন্ধ ছাপা হয় যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের হার্ভার্ড ইন্টারন্যাশনাল রিভিউতে। ২০০৮ সালের ১৯ নভেম্বর প্রকাশিত ওই নিবন্ধে বাংলাদেশে মৌলবাদের বিস্তারে সামরিক বাহিনীর ভূমিকা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুবছরের সময়কালকে লেখা হয় সামরিক শাসনকাল বলে। সামরিক বাহিনীতে ইসলামপন্থিদের সংখ্যা বাড়ার কারণে ইসলামি জঙ্গিবাদ বিস্তার লাভ করছে। এতে অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে উল্লেখ করা হয়, সেনাবাহিনীতে ঢোকার ভর্তি পরীক্ষার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে মাদরাসায়। এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক ও বিএনপি সরকারের আমলে গড়ে ওঠা ওই ইসলামি জঙ্গিবাদ প্রতিহত করতে নির্বাচনের আগে ও পরে অবশ্যই আওয়ামী লীগকে লড়াই করতে হবে—এমন মন্তব্য করা হয়। সেনাবাহিনীর সদস্যদের ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর আঘাত করে লেখা ওই নিবন্ধের প্রারম্ভে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিচয় দেওয়া হয় শেখ হাসিনার উপদেষ্টা হিসেবে। জয়ের ওই নিবন্ধের সমালোচনা করে প্রখ্যাত কলামিস্ট ফরহাদ মজহার দৈনিক নয়া দিগন্তের ২০০৮-এর ২৫ নভেম্বর সংখ্যায় লেখেন, “বাংলাদেশের জনগণ ইসলামের দোষে দূষিত। খুবই বদ হয়ে গেছে বাংলাদেশ। আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ও কার্ল সিওভাস্তো ওই দোষ থেকে কীভাবে বাংলাদেশকে মুক্ত করবেন, তার একটি থিসিস দিয়েছেন। …এই থিসিস যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ‘পরিকল্পনাই’ বটে।” ফরহাদ মজহার আরো লেখেন, ‘সেনাবাহিনীকে বিশেষভাবে টার্গেট করা ও আওয়ামী লীগকে জিতিয়ে নিয়ে এসে সেনা পুনর্গঠনের যে পরিকল্পনা বা আওয়ামী সেক্যুলার প্ল্যান আমরা জয়-সিওভাস্তোর থিসিসে পাচ্ছি, তা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী নির্বাচন অবধি।’

যুক্তরাজ্যে স্বেচ্ছা নির্বাসিত বিতর্কিত লেখক আব্দুল গাফফার চৌধুরী ২০০৮ সালের ২৬ আগস্ট নিউ ইয়র্কে উদীচী যুক্তরাষ্ট্র শাখার সম্মেলনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পর্কে অত্যন্ত অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্য করেন। সেনাবাহিনীকে প্রতিটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ও বিশৃঙ্খলার জন্য দায়ী করে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ হতে আহ্বান জানান দেশবাসীর প্রতি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে পিতৃপরিচয়হীন, ভাড়াটিয়া এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সম্প্রসারিত অংশ বলে অভিহিত করেন তিনি।

বিডিআর জওয়ানরা তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কিছু দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যেই এমন নারকীয় হত্যাযজ্ঞ, লুটতরাজ ও সেনা পরিবারের সদস্যদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালান—এমনটি ভাবার অবকাশ নেই। শুধু বিডিআর জওয়ানদের পক্ষে সম্ভব নয় এমন হত্যাকাণ্ড ঘটানো। এর পেছনে কাজ করেছে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদত। বিডিআর সদস্যদের কিছু দাবিদাওয়া সামনে এনে তাদের একটি অংশকে ক্ষিপ্ত করে বিদ্রোহের নামে কৌশলে নৃশংসতার কাজে লাগানো হয়। নিয়োজিত কিলিং মিশন নির্বিঘ্নে কাজ করে নিরাপদে ত্যাগ করে পিলখানা। নির্মম ওই হত্যাকাণ্ড নিয়েও বাহাস চলে জাতীয় সংসদে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ঘটনার তদন্তকার্য সম্পাদনের আগেই প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের প্রতি ছুড়ে দেন সন্দেহের তীর। কিন্তু আমরা যদি একটু গভীরভাবে চিন্তা করি, ওই হত্যাযজ্ঞের বেনিফেশিয়ারি কারা। কারা তখন সেনাবাহিনীকে ধ্বংসে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে অপপ্রচার চালায়। কারা সেনানিবাসকে কথায় কথায় উত্তরপাড়া বলে কটাক্ষ করে হুমকি দিয়ে আসছিল জুনিয়র সেনা অফিসারদের দেখে নেওয়ার। তাহলে সহজেই বেরিয়ে আসবে এসব প্রশ্নের উত্তর। হত্যাকারীদের উদ্দেশ্য এবং ঘটনার পরম্পরা বিশ্লেষণ করলেই ওই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে যারা সরাসরি সুবিধা ভোগ করতে চেয়েছেন, স্পষ্ট হয়ে উঠবে তাদের পরিচয়।

এতবড় একটি ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে সার্বিক প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও সেদিন দূরে সরিয়ে রাখা হয় সেনাবাহিনীকে। বিডিআর সদর দপ্তরের বিদ্রোহ দমনে তাৎক্ষণিক সেনা অভিযানের অনুমতি দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক সমঝোতার কথা বলে দীর্ঘায়িত করা হয় ঘটনাপ্রবাহকে। সহযোগিতা করতে ইচ্ছা প্রকাশ করার পরও জাতীয় এমন একটি সংকটে ডাকা হয়নি বিরোধী দলকে। উল্টো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে তিরস্কার করেন সহযোগিতায় ইচ্ছুক বিরোধী দলকে। এ সবকিছুই তখন প্রশ্নবিদ্ধ করে সরকারের গৃহীত ভূমিকাকে। ঘটনাটি পরিকল্পিত এবং ষড়যন্ত্রমূলক-এমন গৎবাঁধা কথা বলে দায়ভার এড়াতে চেয়েছে সরকার। সেনা অফিসারদের হত্যাকাণ্ডের দায়দায়িত্ব স্বীকার করে, ব্যর্থতার জন্য লজ্জায় নিজ পদ থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত ছিল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের। অথচ শতাধিক সেনা অফিসার ও তাদের পরিবারের জানমালের নিরাপত্তার ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়ে প্রধানমন্ত্রী খুনিদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। প্রধানমন্ত্রীর এহেন ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই মেধাবী সেনা অফিসারদের প্রাণ হারাতে হয় বলে তাকে অভিযুক্ত করেন সেনা সদরে ক্ষুব্ধ সেনা কর্মকর্তারা। সশস্ত্র বিদ্রোহকে সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে দমন না করে রাজনৈতিকভাবে দমন করার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীকে কে দিয়েছিলেন, তাও জানতে চান তারা। বিদ্রোহ দেখা দেওয়ার মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল। সেনাবাহিনী পাঠানোর কথাও বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সে সময় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা শেখ রেহানার দেবর মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং রাজনৈতিক উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিনের সঙ্গে ফোনে কথা হয় বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যদের। বিদ্রোহ সরকারের বিরুদ্ধে নয়, এটা বিডিআর জওয়ানদের পক্ষ থেকে উপদেষ্টাদ্বয়কে নিশ্চিত করার পরই রাজনৈতিক সমঝোতার পন্থা বেছে নেয় সরকার। অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ না করে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং হুইপ মির্জা আজমকে পিলখানায় পাঠানো হয় সমঝোতার জন্য। তারা সরাসরি চলে যান বিডিআরের ১৪ জন বিদ্রোহীকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন যমুনায়। বিকালে দুই ঘণ্টা বৈঠক করেন তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। সেনা অফিসারদের অবস্থান না জেনেই প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে নির্দেশ দেন অস্ত্র সমর্পণের। বলা বাহুল্য, তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরও অস্ত্র সমর্পণ না করে অবশিষ্ট হত্যাযজ্ঞ সম্পন্ন করে দফায় দফায়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আগে যুমনায় ১৪ জন বিদ্রোহীর নাম এন্ট্রি করা হয়নি। এমনকি তাদের দেহ পর্যন্ত তল্লাশি করা হয়নি মন্ত্রীর গাড়িতে ছিল বলে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের বৈঠককালে যমুনায় অবস্থানকারী সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর প্রধানসহ পদস্থ কোনো সামরিক-বেসামরিক ব্যক্তিকে অনুমতি দেওয়া হয়নি বৈঠকস্থলে প্রবেশের। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী ১৪ জনকে সেখান থেকে কেন সদর দপ্তরে ফোন করে বিদ্রোহীদের বলানো হলো না সেনা অফিসারদের মুক্তি দিতে। ওই সব বিদ্রোহীকে কীভাবে নির্বাচিত করা হলো আর তারাইবা এতটা নিশ্চিত হলো কীভাবে এতবড় হত্যাকাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবার পিলখানায় নিরাপদে ফিরতে পারবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতের আঁধারে বুলেটপ্রুফ গাড়ি নিয়ে পিলখানায় প্রবেশ করলেন। অথচ সেনা অফিসারদের কোনো খবর নিলেন না কেন। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—৩৪ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির অবসান ঘটার পর কারা পিলখানার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে ১০ হাজার বিডিআর সিপাহিকে পালিয়ে যাওয়ার এবং লাশ গুম করার সুযোগ করে দিল? সরকারি আদেশ ছাড়াই স্থানীয় সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপস কেন মাইকিং করে পিলখানায় তিন কিলোমিটার এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজনকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। এলাকা খালি করার সুযোগেই জনস্রোতে মিশে অস্ত্রসহ পালিয়ে যায় বিডিআর সদস্যরা। আর এতবড় একটি রক্তক্ষয়ী ঘটনার পর পিলখানায় দক্ষিণের গেট কার স্বার্থে রাখা হয়েছিল অরক্ষিত। ঘটনার দুদিন পর বিমানবন্দর দিয়ে হত্যাকারীরা বিদেশে পাড়ি জমাল কীভাবে?

পিলখানা হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে আগে আঁচ করতে না পারা দেশের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বড় ধরনের ব্যর্থতা। অথচ সেনা সদরে প্রধানমন্ত্রী এমন একটি কঠিন এবং স্পর্শকাতর প্রশ্নের মুখোমুখি হন বিডিআর সদর দপ্তরে ২৬ ফেব্রুয়ারি তার নৈশভোজে অংশ নেওয়ার কর্মসূচি ২২ ফেব্রুয়ারি কারা এবং কেন বাতিল করে, তা নিয়ে। তাছাড়া ঘটনার দুই সপ্তাহ আগে সুধা সদন থেকে তড়িঘড়ি করে নিরাপত্তার অজুহাতে প্রধানমন্ত্রীকে যমুনায় ওঠার পরামর্শ কেন দেওয়া হয়—উঠে আসে এসব প্রশ্নও। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি কাজ করে। রাজনৈতিক অভিসন্ধি থেকে স্মরণকালের এ জঘন্যতম ঘটনার নায়কদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকার ১৬ বছর পরে হলেও জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। দেশবাসী চায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীরা কঠিন শাস্তি পাক। উন্মোচিত হোক ষড়যন্ত্র ও নীল নকশাকারীদের মুখোশ। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক, জনগণের শেষ ভরসাস্থল সেনাবাহিনীকে নিয়ে কোনো ধরনের বিতর্ক না করে মূল ঘাতকদের সর্বোচ্চ শাস্তি বিধান করা হোক।

Previous Post

আন্দোলনকারীরা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের স্বার্থে কাজ করছে: ইরানের প্রধান বিচারপতি

Next Post

আইসিটি বিভাগের শ্বেতপত্র প্রকাশ

Next Post
আইসিটি বিভাগের শ্বেতপত্র প্রকাশ

আইসিটি বিভাগের শ্বেতপত্র প্রকাশ

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের বর্ষবরণে ডেনমার্কে প্রবাসীদের মিলনমেলা

বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের বর্ষবরণে ডেনমার্কে প্রবাসীদের মিলনমেলা

দুতাবাসের উদ্যোগে ডেনমার্কে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

দুতাবাসের উদ্যোগে ডেনমার্কে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

আইএমএফের ঋণের কিস্তির বিষয়ে হ্যাঁ-না বলার সুযোগ নেই : ওয়াশিংটনে অর্থমন্ত্রী

আইএমএফের ঋণের কিস্তির বিষয়ে হ্যাঁ-না বলার সুযোগ নেই : ওয়াশিংটনে অর্থমন্ত্রী

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ : ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ : ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

আটক মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ওপর ময়লা পানি নিক্ষেপ

আটক মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ওপর ময়লা পানি নিক্ষেপ

Voice of Expats Bangladesh

Browse by Category

  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • আলোচিত
  • খেলা
  • গণমাধ্যম
  • চাকরি
  • জেলার খবর
  • ডেনমার্ক প্রবাসী
  • ধর্ম
  • প্রবাসী কর্ণার
  • প্রযুক্তি
  • বাংলাদেশ
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • বিনোদন
  • ব্রেকিং নিউজ
  • ভিডিও/টকশো
  • মতামত
  • রাজনীতি
  • লিড নিউজ
  • শিক্ষাঙ্গন
  • সর্বশেষ
  • সোস্যাল মিডিয়া
  • স্বাস্থ্য

Contacts

ভয়েস অব এক্সপ্যাটস বাংলাদেশ
ঢাকা, বাংলাদেশ
Mobile: +8801717291923
Email: voebnews@gmail.com

Follow Us

© 2024 Voice of Expats Bangladesh

No Result
View All Result
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ

© 2024 Voice of Expats Bangladesh