নিজস্ব প্রতিবেদক : খুলনার ৬৭ শতাংশ ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ ব্যুরো খুলনার ৬টি সংসদীয় আসনের ৬৭ শতাংশই ঝুঁকিপূর্ণ। ৮৪০টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৫৬৬টিকে ঝুঁকি পূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তফসিল ঘোষণার আগেই মাঠ জরিপ করে এসব কেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। এসব কেন্দ্রে ইতোমধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। থাকছে অতিরিক্ত পুলিশ। তাদের সঙ্গে থাকবে বডি ক্যামেরা।
তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে খুলনা-৬ আসন ৮৩ দশমিক ২২ শতাংশ। সবচেয়ে কম খুলনা-৩ নম্বর আসনে। আসনটির ৪৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিতে। সূত্রটি জানায়, খুলনা-১ আসনে ১১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৬টি, খুলনা-২ আসনে ১৫৭টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১০৫টি, খুলনা-৩ আসনের ১৫৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৭টি, খুলনা-৪ আসনের ১৪৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৫টি এবং খুলনা-৫ আসনের ১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৩টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মোহাম্মাদ জাহিদুল হাসান এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে তিন জন পুলিশ ও ১৩ জন আনসার থাকবেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কর্মকর্তাসহ ৫ জন পুলিশ ও ১৩ জন আনসার থাকবেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশিত কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি মোবাইল পেট্রোলিং রাখছি, স্ট্রাইকিং রিজার্ভ রাখা হয়েছে। আবার যে কেন্দ্রগুলিতে গাড়ি যাবে না এমন ভোট কেন্দ্রগুলোকে আমরা মোবাইল পেট্রোলিং, স্ট্রাইকিং রিজার্ভ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছি। আর পুলিশের সঙ্গে সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী, কোস্ট গার্ড, বিজিবি নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।
খুলনা জেলা জেলা প্রশাসক ও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকার বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৫৫৮টি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে। অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৩০০টি কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের বডিতে থাকবে বডি ক্যামেরা। যা সরাসরি পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে মনিটরিং হবে। সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ১২শ’ আর্মি স্টাফ মাঠে থাকবেন।
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে তারাও কাজ করবেন। সার্বক্ষণিক সব সিসি ক্যামেরা মনিটরিং করা হবে।






