Voice of Expats Bangladesh
Advertisement
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ
No Result
View All Result
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ
No Result
View All Result
Voice of Expats Bangladesh
No Result
View All Result
Home মতামত

আলোচনায় ‘মহা দুর্নীতি’, আড়ালে সততার সাধারণ গল্প

আলোচনায় ‘মহা দুর্নীতি’, আড়ালে সততার সাধারণ গল্প

ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন

1
VIEWS
FacebookTwitterLinkedinWhatsappEmail

জুননু রাইন :

কয়েকদিন ধরে ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের দুর্নীতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে হারে সমালোচনা হচ্ছে সেই পরিমাণ সমালোচনা কিন্তু আওয়ামী লীগ আমলে যখন তাকে চাকরিচ্যুত করা হয় তখনো হয়নি। মানে, যে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরপরই ড. মোমেনকে চাকরিচ্যুত করেছে তারা এবং মিডিয়াও কিন্তু এমন উঠেপড়ে লাগেনি।

আজকে ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তিনিও একজন শক্তিমান লেখক। তিনি খুব আফসোস করে বললেন, ‘দেখো মোমেনের মতো সৎ, মেধাবী অফিসারকে নিয়ে কী আজেবাজে মিথ্যা ছড়ানো হচ্ছে, ও যে জীবনযাপন করেছে তা আমরা কোনোদিনও পারতাম না। ওর মতো গরিবানা জীবন তুমিও যাপন করতে পারতে না।’

এই আবদুল মোমেন হচ্ছেন কথাসাহিত্যিক আন্দালিব রাশদী। যার ‘প্রতিমন্ত্রী’ এবং ‘ভারপ্রাপ্ত সচিব’ নামে গুরুত্বপূর্ণ দুটো উপন্যাস আছে। তার যেকোনো লেখা পড়ে সময় নষ্ট হয়েছে বা ভালো লাগেনি বলবে—এমন পাঠক পাওয়া যাবে না। আন্দালিব রাশদী তার লেখক নাম হলেও তিনি আরও কয়েকটি নামে লিখতেন। কেন লিখতেন? সম্মানীর জন্য।

দুই হাতে লিখতেন। যে বিষয়ে মোমেন ভাইয়ের কাছে লেখা চাইতাম সে বিষয়েই তিনি লিখতে পারতেন। শুধু পারতেনই না, বরং ওই বিষয়ে অন্য যে কারও চেয়ে ভালো লিখতেন।

মোমেন ভাইয়ের লেখা ছাপার ক্ষেত্রে এক ধরনের অদৃশ্য নিষেধাজ্ঞার মতো নিরুৎসাহ থাকতো, তা কেন, তখন বুঝতাম। কিছু করার ছিল না। নানা কৌশলে ছাপতে হতো। তবে তার অপরিচিত নামগুলোর জন্য তিনি লিখে উপার্জন করার পথটা খোলা রাখতে পেরেছিলেন।

লেখালেখি যে তার আয় রোজগারের প্রধান উৎস এটা প্রথমে বুঝতে পারিনি। লেখার সম্মানী চাইলে প্রথম প্রথম মনে করতাম—লিখে টাকা পাওয়ার আনন্দের জন্যই হয়তো বিল চাইছেন। কিন্তু না, টাকাটা তার খুব দরকার ছিল।

তিনি যুগান্তরে আসলে সম্পাদকের কাছে নিয়ে যেতে চাইতাম। বলতেন, তোমার সাথে আমার কাজ, তোমার পাতায় লিখি, তুমিই আমার সম্পাদক।

আমার সঙ্গে মাঝে মধ্যে যুগান্তরের ক্যান্টিনে দুপুরের খাবার খেতেন। তিনি বড় ভাই দাবি করে জোর করে বিল দিতেন। তার একটা সঠিক ধারণা ছিল যে, তিনি গরিব হলেও আমার চেয়ে কিছুটা কম গরিব। তো, একদিন জোর করে আমি বিল দিয়েছিলাম। এরপর থেকে দুপুরের খাবারের কথা বললে বলতেন, তুমি বিল দিলে খাবো না। এবং খেতেনই না।

১৫ বছরে এত দুর্নীতির খবর আমরা জানলাম না কেন?
অফিস থেকে নিচে নেমে রাস্তার চায়ের দোকানে আমরা চা খেতাম। বলতাম, চলেন যমুনা ফিউচার পার্কে কফি খাই। তিনি বলতেন, ওটা বড় লোকের জায়গা, আমার রাস্তার পাশের চা’ই ভালো। দুষ্টুমি করে বলতাম, আপনার বিল দিতে হবে না। আমি দেবো, চলেন। তখন হেসে হেসে বলতেন, আমারে এত গরিব মনে করো না। আমার বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার মামলা আছে।

মোমেন ভাইয়ের সাথে পরিচয় সম্ভবত ২০০৭/৮ সালে। দৈনিক ইত্তেফাকে। প্রথম পরিচয়েই এমনভাবে গল্প জুড়ে দিয়েছিলেন মনে হয়েছে ২০ বছর আগ থেকেই আমরা একসাথে আড্ডা দিই। আমরা কাছাকাছি বয়সের ভাই-বন্ধু।

মোমেন ভাই টিকাটুলী রোডের ইত্তেফাকের অফিসে আসলে দেশবন্ধু হোটেলে আমরা রুটি-ভাজি খেতাম। ১০/১৫ টাকায় নাস্তা হয়ে যেত। তারপর গলির মধ্যে একটা চায়ের দোকানে বসতাম। ছোট্ট দোকান। দোকানের পেছন থেকে উপরের দিকে হালকা পাতলা ২/৩টা ডালওয়ালা রুগ্ন কৃষ্ণচূড়া গাছ। এত ছোট যে দোকানের চেয়ে বসে থাকা দোকানিকে বড় মনে হতো। দোকানের সামনের বেঞ্চিতে বড়জোর দুইজন বসা যেত।

মোমেন ভাইকে সম্ভবত ২টা প্যান্ট ২টা শার্টেই দেখেছি একযুগ ধরে। তাও খুব ম্লান। রোদে পোড়া। তিনি যে মানের খাবার দোকানে বসে খাবার খেতে পারতেন সেই মানের দোকানে তথাকথিত রুচিসম্মত নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির কেউ বসতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে না আমি নিশ্চিত। আমি অন্তত এমন খাবারের দোকানে বসি না। আমার আভিজাত্যে লাগতো, লাগে এখনো।

যদিও মোমেন ভাই গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল, নটরডেম কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন। আলাদাভাবে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়ালস থেকে। ১৯৯৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তার বাবা এ এফ এম আবদুল মোতালেব ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা। তার এক মন্ত্রী-মামার কিছু দুর্নীতি নিয়ে হালকা ঠাট্টাচ্ছলে সমালোচনা করতেও শুনেছি কখনো কখনো। এক ভাই ডাক্তার। বোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। স্ত্রী ডাক্তার। আমি তার মা, ভাই এবং বোনকে দেখেছি।

ব্যক্তিগত মতামত, সবাইকে মাটির মানুষ মনে হয়েছে। কেমন ফসলি জমির ধুলো মাখা শরীর। শরীরে প্রিয় কবরের গন্ধ। আভিজাত্যের ছায়া, ছোঁয়া বা গন্ধও নেই।

রিকশাওলারা যে দোকানে বসে দুপুরের খাবার খায়, সেখানে বসে তিনি কেন অনায়াসে খেতে পারেন? তাহলে কেনইবা এত এত টাকার দুর্নীতি করেছেন! টাকাগুলো কী করেছেন?

সরকারি চাকরি চলে যাওয়ার পরে মোমেন ভাই যে প্রতিষ্ঠানেই চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন, সেখান থেকেই তাকে বের করে দিতে প্রতিষ্ঠানকে সরকার চাপ প্রয়োগ করেছে। এই রকম তিনটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে তাকে বের করে দেওয়ার ঘটনা আমি জানি।

পরবর্তীতে তিনি আর চাকরি না পেয়ে বা না করে লেখালেখিকেই পেশা এবং আয়ের মূল উৎস হিসেবে বেছে নিলেন। ১৬ বছর ধরে তার প্রধান কাজ হলো লেখালেখি করা, পত্রিকা অফিসে আসা-যাওয়া করা আর বিভিন্ন সরকারি তদন্ত সংস্থায় জবাবদিহি করা। পাহাড়সম চাপ থাকা সত্যেও তিনি সবসময় হাসিখুশি থাকতেন। কেমন আছেন, জিজ্ঞেস করলেই হেসে হেসে বলতেন, ভালো থাকার নির্দেশ আছে।

চুরি করতে না পারা, বাটপারি করতে না জানা, অভিজাত হতে না পারা—সাধারণ মানুষের নির্দেশ আছে। আপনি ভালো থাকবেন মোমেন ভাই।

জুননু রাইন ।। কবি, সাংবাদিক

Previous Post

মির্জা আজমের ৮০টি ব্যাংক হিসাবে ৯০৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন

Next Post

জরিপ : দেশে এখন নির্বাচন হলে কোন দল কত ভোট পাবে

Next Post
জরিপ : দেশে এখন নির্বাচন হলে কোন দল কত ভোট পাবে

জরিপ : দেশে এখন নির্বাচন হলে কোন দল কত ভোট পাবে

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ খবর

ইউসিবিতে হেড অব স্ট্রাকচার্ড করপোরেট হিসেবে যোগ দিলেন এম. লতিফ হাসান

ইউসিবিতে হেড অব স্ট্রাকচার্ড করপোরেট হিসেবে যোগ দিলেন এম. লতিফ হাসান

৩ কোটি রুপিতে রাওয়ালপিন্ডিতে রিশাদ

৩ কোটি রুপিতে রাওয়ালপিন্ডিতে রিশাদ

খুলনার ৬৭ শতাংশ ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ

খুলনার ৬৭ শতাংশ ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ

ভেনেজুয়েলার তেল খাতে নিষেধাজ্ঞা আরও শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র

ভেনেজুয়েলার তেল খাতে নিষেধাজ্ঞা আরও শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র

দেশে এসেছে ৪ লাখ ৮১ হাজার ১৮৫ পোস্টাল ব্যালট

দেশে এসেছে ৪ লাখ ৮১ হাজার ১৮৫ পোস্টাল ব্যালট

Voice of Expats Bangladesh

Browse by Category

  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • আলোচিত
  • খেলা
  • গণমাধ্যম
  • চাকরি
  • জেলার খবর
  • ডেনমার্ক প্রবাসী
  • ধর্ম
  • প্রবাসী কর্ণার
  • প্রযুক্তি
  • বাংলাদেশ
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • বিনোদন
  • ব্রেকিং নিউজ
  • ভিডিও/টকশো
  • মতামত
  • রাজনীতি
  • লিড নিউজ
  • শিক্ষাঙ্গন
  • সর্বশেষ
  • সোস্যাল মিডিয়া
  • স্বাস্থ্য

Contacts

ভয়েস অব এক্সপ্যাটস বাংলাদেশ
ঢাকা, বাংলাদেশ
Mobile: +8801717291923
Email: voebnews@gmail.com

Follow Us

© 2024 Voice of Expats Bangladesh

No Result
View All Result
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • প্রবাসী কর্ণার
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • জেলার খবর
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মতামত
  • বিদেশে পড়াশোনা
  • ভিডিও/টকশো
  • আরও
    • আলোচিত
    • ব্রেকিং নিউজ
    • ডেনমার্ক প্রবাসী
    • চাকরি
    • স্বাস্থ্য
    • খেলা
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • প্রযুক্তি
    • সোস্যাল মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • অপরাধ

© 2024 Voice of Expats Bangladesh