নিজস্ব প্রতিবেদক : একইদিনে দুই সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ কে এম নুরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ কে এম নুরুল হুদাকে জুতার মালা দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে জনতা।রোববার (২২ জুন) সন্ধ্যার দিকে রাজধানীর উত্তরায় স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এর আগে নুরুল হুদাকে আটক করে জনতা গলায় জুতার মালা পরায়।
উত্তরা-পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান নুরুল হুদার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আওয়ামী লীগ আমলের এ কে এম নুরুল হুদাসহ তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘন করে নির্বাচন অনুষ্ঠান করার অভিযোগে শেরে বাংলা নগর থানায় মামলা করে বিএনপি। তবে তার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের মামলা রয়েছে আগে থেকে।
২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন কমিশনের আয়োজনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনটি দেশে ‘রাতের ভোট’ হিসেবে পরিচিত।
এবার সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়াল গ্রেপ্তার :
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্র সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, কাজী হাবিবুল আউয়ালকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে আজ সন্ধ্যার দিকে ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা কে এম নুরুল হুদাকে আটক করে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে উত্তরা-পশ্চিম থানা পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা বিএনপির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাকে।
দায়ের করা মামলায় উল্লিখিত অভিযোগ, ২০১৮ সালের অনুষ্ঠিত ভুয়া জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
এদিকে সাবেক সিইসি নূরুল হুদাকে মব সৃষ্টি করে লাঞ্ছনার ঘটনায় বিবৃতি দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানিয়েছে, মব সৃষ্টি করে উশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টিকারী সকলকে চিহ্নিত করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। রোববার (২২ জুন) রাতে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হয়।






