আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পুলিশের এক অভিযানে আরও ১৭৫ জন ‘অবৈধ’ বাংলাদেশী অভিবাসীকে শনাক্ত করার দাবি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হওয়া ১২ ঘণ্টার এক যাচাই অভিযানে দিল্লির বাইরের এলাকাগুলোতে এই ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাস করা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আটকের জন্য তাদের তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
পিটিআই (প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া) সূত্রে জানা যায়, পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘অবৈধ’ বাংলাদেশী অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই তল্লাশি চালানো হয়। ক্রমবর্ধমান ‘অবৈধ’ অভিবাসীদের নিয়ে উদ্বেগের কারণে আউটার ডিস্ট্রিক্ট পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান ও যৌথ তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করেছে।
অভিযানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালানোর জন্য স্থানীয় থানাগুলোর পুলিশ সদস্য, ডিস্ট্রিক্ট ফরেনার সেলস ও বিশেষায়িত ইউনিটের সমন্বয়ে বিশেষ দল মোতায়েন করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ‘অবৈধ’ অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহের জন্য এই দলগুলো কাজ করছে।
দিল্লি পুলিশ এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর থেকে দিল্লিতে বসবাসকারী ‘অবৈধ’ বাংলাদেশী অভিবাসীদের চিহ্নিত করতে অভিযান শুরু করেছিল। ১৩ ডিসেম্বর দিল্লি পুলিশ দুইজন ‘অবৈধ’ বাংলাদেশী অভিবাসীকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি আরও এক হাজারের বেশি ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার কথা জানিয়েছিল। পিটিআইয়ের সূত্র অনুযায়ী, এই তল্লাশির মাধ্যমে পুরো দিল্লিতে ১৫০০ এর বেশি ‘অবৈধ’ বাংলাদেশী অভিবাসী চিহ্নিত হয়েছে।
অন্যদিকে, দিল্লির মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (এমসিডি) দিল্লির স্কুলগুলোতে কোনো ‘অবৈধ’ বাংলাদেশী শিশু পড়ালেখা করছে কি না, সেটি চিহ্নিত করার আদেশ জারি করেছে। এই পদক্ষেপগুলি দিল্লিতে বসবাসরত বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।






